• samity@bcs.org.bd
  • |
  • +880 9639 33 44 55

টেকসই উদ্ভাবনে প্রযুক্তির গতির সঙ্গে নীতিমালা পরিবর্তনের তাগিদ

সঠিক সময়ে উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার না করা হলে দেশে টেকসই উদ্ভাবন সংস্কৃতি গড়ে ওঠা দূরূহ। তাই প্রযুক্তি পরিবর্তনে গতির সঙ্গে নীতিমালা পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন ব্যবাসয়ী নেতারা। আর ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয়ে অ্যাসোসিয়েশন সেতুবন্ধন রচনা করতে পারে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। একইসঙ্গে প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চতুর্থ বর্ষে অধ্যায়নরতদের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে ফের ইন্টার্নশিপ চালু, বৈশ্বিক মান বজায় রাখতে উদ্ভবন থেকে শিল্প পর্যায়ে আইএসও মান অনুশীলনের তাগিদ দিয়েছেন বক্তারা।

 

২৮ জানুয়ারি, বুধবার বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ব্রিজিং গ্যাপস ইন দ্য ইনোভেশন ইকোসিস্টেম: হোয়াট বাংলাদেশ নিডস টু ডু’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় এসব পরামর্শ উঠে আসে।

 

ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬-এর প্রথম দিনে উইন্ডি টাউন হলে এই প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবু সাঈদ, বুয়েটের অধ্যাপক ড. এ বি এম আলিম আল ইসলাম, বাক্কো’র অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল হক, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি (এনসিএ)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. তৈয়বুর রহমান, এটুআই প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রফিক, আইডিয়া প্রকল্প পরিচালক মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির জ্যেষ্ঠ সদস্য আতিক ই রাব্বানী।

 

সেমিনারে জানানো হয়, ডিজিটাল রূপান্তরে সরকারের পক্ষ থেকে অনেক কাজ করা হয়েছে। এখন এসব কাজের মধ্যে সমন্বয় দরকার। সে লক্ষ্যেই অন্তর্ভূক্তিমূলক ডিজিটাল উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ন্যাশনাল ডেটা গভর্নেন্স এজেন্সি অধ্যাদেশ এবং এআই ব্যবহার নিয়ে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অধ্যাদেশ প্রস্তুত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এখন নাগরিকের কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছে দিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

 

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েেছে, যা দর্শনার্থীদের এই অত্যাধুনিক ইন্টারনেট প্রযুক্তি সরাসরি ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে।

 

আয়োজকরা জানান, দর্শনার্থীদের প্রতিদিন প্রদর্শনী সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।  প্রদর্শনীতে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও অনলাইনে (www.ddiexpo.com.bd) অথবা স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে।

 

চার দিনের প্রদর্শনীতে গোল্ড স্পন্সর ইপসন, অনর, এইচপি, লেনোভো, অপো, স্যামসাং, টেকনো ও শাওমি। সিলভার স্পন্সর এসার, গিগাবাইট, নেটিস, টিপি-লিংক ও ইউসিসি। এছাড়া স্টারলিংক পার্টনার স্টারলিংক ফিলিসিটি আইডিসি।

 

সহযোগিতায় বাংলাদেশ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি), ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) এবং টেকনোলজি মিডিয়া গিল্ড বাংলাদেশ (টিএমজিবি)।

Share On: