বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) এর কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)র উষ্ণ অভিনন্দন


বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) এর কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)র উষ্ণ অভিনন্দন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের ২০১৫-২০১৮ সময়কালের জন্য টানা দ্বিতীয়বারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছে। বিসিএস সভাপতি এ. এইচ. এম মাহফুজুল আরিফ এক শুভেচ্ছা বার্তায় বিশে^র টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় সংগঠন ও জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন হিসেবে আইটিইউ এর কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভ করায় দেশব্যাপী বিসিএস এর ১৩০০ সদস্য এবং কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ হতে আইটিইউ নির্বাচনী প্রতিনিধি দলের প্রধান মাননীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, প্রতিনিধি দলের সদস্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ও রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোসসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তুরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, দূরদর্শীতা ও আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে ধারাবাহিক কূটনৈতিক সফলতার স্বীকৃতি এ অর্জন। দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ন নির্বাচনে সদস্যপদ লাভের মধ্য দিয়ে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির বৈশি^ক পরিম-লে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হলো। বর্তমান সরকার বিঘোষিত চলমান ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের কর্মকা- ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে বিশ^কে অবহিত করার জন্য এ কাউন্সিলে বাংলাদেশের সদস্যপদ ভূমিকা রাখবে। বিসিএস মনে করে তথ্যপ্রযুক্তির আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব সৃষ্টির ফলে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের এ কাউন্সিলের বর্তমান সদস্যও বটে। এ সদস্যপদ ধরে রাখতে দক্ষিন কোরিয়ার বুসানে বিশে^র শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ন নির্বাচনে ১১৫ ভোট পেয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়। উল্লেখ্য গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর মনোনয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ পাবলিক সেক্টর ক্যাটাগরীতে বিশে^র বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তির সংগঠন উইটসা কর্তৃক ‘গ্লোবাল এক্সিলেন্স এওয়ার্ড ২০১৪’ লাভ করে যা বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরকেটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়।